ঢাকা-ইনছন সরাসরি ফ্লাইট চালুর চেষ্টা চলছে : রাষ্ট্রদূত

ঢাকা-ইনছন সরাসরি ফ্লাইট চালু করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানালেন দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মিজ আবিদা ইসলাম। 

তিনি বলেন, সরাসরি ফ্লাইট চালু করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্ত রয়েছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বিমান কোম্পানীর লাভ। তার লাভ করে ফ্লাইট চালু করতে চাইলে প্রতি সপ্তাহে ৯ শতাধিক যাত্রী হতে হবে। এক্ষেত্রে এখনো ২৫০-৩০০জন ঘাটতি আছে। আমরা কোম্পানীগুলোকে বুঝানোর চেষ্টা করছি ফ্লাইট চালু হলে যাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং পণ্য পরিবহনও বৃদ্ধি পাবে। 

রাষ্ট্রদূত হিসেবে দ্বায়িত্ব নেওয়ার এক বছর পার হলো আবিদা ইসলামের। সেই উপলক্ষে ডেইলী টুমরোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এইসব কথা বলেন। কোরিয়ান ভাষায় প্রকাশিত এই সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম তাঁর কূটনৈতিক জীবনের বিভিন্ন ঘটনার কথা তুলে ধরেন।

 বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ৪৭ বছরের ইতিহাস, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নারীদের এগিয়ে যাওয়ার কথা ছাড়াও ব্যক্তিগত জীবনের ঘটনাও স্থান পায় সাক্ষাৎকারটিতে।

রাজধানী সিউল থেকে প্রায় ২৮ কিলোমিটার দূরবর্তী ইনছন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধান বন্দর নগরী। এছাড়াও, ইনছন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জন্য বিখ্যাত। সিউল ও বুশানের পর ইনছন দক্ষিণ কোরিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম শহর ও গ্রীষ্মকালের পর্যটকদের কাছে বেশ আকর্ষণীয়। ইনছন মেট্রোপলিটন শহরের মর্যাদাপ্রাপ্ত ও কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক সরাসরি পরিচালিত হয়।

ইনছন আধুনিক কোরিয়ায় শিল্পায়নের প্রধান সূতিকাগাররূপে বিবেচিত। এটি ২০০৩ সালের আগস্টে কোরিয়ার প্রথম মুক্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলের মর্যাদা পায়। এরপর থেকেই বৃহৎ স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানসমূহ ইনছনের মুক্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলে ব্যাপকভাবে অর্থ বিনিয়োগ করতে থাকে। 

পরিবেশ সংক্রান্ত কর্মকান্ডে জড়িত আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ডের সদর দফতর এখানেই অবস্থিত।


মাইগ্রেশননিউজবিডি.কম/সাদেক 

share this news to friends