ভিয়েতনামে পাচারের শিকারদের আইনগত সহায়তা করছে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা

১০৬ জন বাংলাদেশি বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে সরকারের বৈদেশিক ও কর্মসংস্থান মন্ত্রালয়ের অধীন বিএমইটির সকল নিয়ম কানুন অনুসরণ করে ভিয়েতনামে গিয়ে মানব পাচারের শিকার হয়। ২০২০ সালের মধ্য জুলাই-এ পাচারকারীদের কবল থেকে উদ্ধার হয়ে তারা ভিয়েতনামে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধমে দেশে ফিরে আসার আগ্রহ প্রকাশ করে।

বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ ফ্লাইটে গত ১৮ আগস্ট তাদের দেশে ফিরে আসে। বিশ্বব্যাপি করোনা পরিস্থিতির কারনে সরকারী স্বাস্থ্য নীতিমালা অনুযায়ী ১৪দিন নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেনটাইন শেষ করেন। কোয়ারেনটাইন শেষে যখন সকলেই পরিবারের প্রিয়জনের সাথে সাক্ষাতের জন্য রওনা হবে তখন তাদের স্ব- স্ব বাড়ীতে না পাঠিয়ে মিধ্যা মামলা দিয়ে ৮৩ জনকে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়।

অথচ যে সকল দালাল ও রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধি এই পাচার চক্রের সাথে জড়িত তারা বহাল তবিয়তে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, উল্টো পাচারের শিকার হয়ে যারা সর্বস্ব হারিয়েছে তারাই এখন জেলে। প্রতারকদের বাইরে রেখে প্রতারিতদের জেলে রাখা মানবাধিকারের লঙ্ঘন ও শিষ্টাচার বর্হিভূত। বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা মনে করে একটি পক্ষকে আড়াল করার জন্য এই সকল ভিকটিমদের জেলে রাখা হয়েছে।

সংস্থা এ সকল ভিকটিমদের বিরুদ্ধে হয়রানীমূলক মামলা প্রত্যাহার করে জেল থেকে মুক্তি দিয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন অব্যাহত রাখতে সরকারের দৃষ্ঠি আকর্ষণ করছে। সংস্থাটি এই সকল ভিকটিমদের পক্ষে আইনগত সহায়তা প্রদান করছে বলে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ।

share this news to friends